উখিয়াবাসীর ভবিষ্যৎ
বাস্তবতা তুলে ধরছি, আজ সকালে অফিসের কাজে কোর্ট বাজার থেকে পালং খালী যাবার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম, কুতুপালং বাজারের মুখে এক রোহিঙ্গা ব্যাক্তি ২ফুট/৩ফুটের একটি ড্রয়ার নিয়ে সি এন জি চালকের ডান পাশে বসলো। খানিকটা পথ যাওয়ার পর আমি জানতে চাইলাম " অনে হডে যাইবান?" আপনি কোথায় যাবেন? তিনি জানালেন বালোখালী স্টেশনে যাবে, আমি বললাম এতো ওজনের এই ড্রয়ার টা পিছনে রাখেন, এটা হাতে ধরে নিয়ে যেতে কষ্ট হবে। CNG থামাতে বললাম, আর আমি সিট থেকে নেমে তাকে ড্রয়ার রাখার সুযোগ দিলাম, আর সে ড্রয়ার রেখে নিজেই আমার আসনে বসে পড়লো।
আমার সহকর্মী তাকে বললো " এখানে তো ওনি বসবে" সে বললো, না ওনি বসবে না।তার কথা শুনে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম, আর সামনে বসলাম।
সে তার নির্ধারিত স্থানে নেমে গেল, ড্রাইভার কে নকল একশত টাকার একটি নোট দিলো, ড্রাইভারের কাছে ভাংতি না থাকায় সে পানের দোকানে গেলে দোকানদার বলে জাল নোট কিন্তু সেই রোহিঙ্গা একই নোট ড্রাইভারকে দিয়ে বললো ভাংতি নাই, এখান থেকে রাখেন, পরে অন্য একজন টাকা দেখে সন্দেহ করলে সে বলে এটা জাল নোট।
এর কিছু দিন আগে ৪ রোহিঙ্গা মিলে সি এন জি ভাড়া নেয়, আর নির্জন রাস্তায় সেই সিএনজি চালককে ছুরি ধরে তার মোবাইল, টাকা এবং ঘড়ি নিয়ে যেতে চায়। বুদ্ধির গুনে সেই চালক বেচে যায়, আর পুলিশের উপস্থিতিতে জনতার সামনে ৪রোহিঙ্গা যুবক স্বীকার করে তারা এর আগে আরো ৭-৮টির মতো ঘটনা ঘটিয়েছে।
স্থানীয়রা একটা সময় তাদের নিজের ঘরে আশ্রয় দেয়, তাদের হাজার একর বাগান দিয়ে দেয় আর আজ এই রোহিঙ্গাদের জন্য পদে পদে কষ্ট পেতে হয়
